
নিজস্ব সংবাদদাতা (বিচিত্র সংবাদ) :মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় প্রেমের সম্পর্ক, পরবর্তীতে বিয়ে, বিবাহ বিচ্ছেদ এবং পুনরায় বিয়ের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের মমিন আলীর পুত্র সাব্বির হোসেন ওরফে জলিলের সঙ্গে একই এলাকার ইসরাত জাহান মিমের পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মোহরানায় ইসরাত জাহান মিমকে বিয়ে দেওয়া হয় লক্ষীপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে শরীফ হোসেনের সঙ্গে।বিয়ের পরও সাব্বির হোসেন ইসরাত জাহান মিম কে স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এক পর্যায়ে মিম ও সাব্বিরের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে ভুক্তভোগী জানান। বিষয়টি টের পেয়ে একদিন শরীফ হোসেন ও তার স্বজনরা তাদের আটক করে এবং মিমের পরিবারকে খবর দেন। পরে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে শালিসীর মাধ্যমে মিম ও শরীফের বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।বিবাহ বিচ্ছেদের পর সাব্বির ওরফে জলিল মিমকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও পরে নানা তালবাহানা শুরু করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় ইসরাত জাহান মিম বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পর অভিযুক্ত সাব্বিরের মা মাসুদা বেগম স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে কমিশনে উপস্থিত হয়ে সময়ের আবেদন করেন। তবে পরবর্তী নির্ধারিত তারিখে অভিযুক্তের পরিবার অনুপস্থিত থাকে। পরে বিষয়টি গজারিয়া থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে তাদের উপস্থিতিতে শালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও অভিযুক্ত সাব্বির ওরফে জলিল অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, সাব্বির হোসেন ওরফে জলিল অন্যত্র বিয়ের চেষ্টা করছেন বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাব্বির ওরফে জলিলের সাথে কথা বলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার পিতা মমিন আলী জানান তার বড় ছেলে প্রেম করে বিয়ে করেছে এজন্য তাকে আলাদা করে দিয়েছি। ছোট ছেলেও প্রেম করেছে তাকে ত্যায্য করে দিব। তাকে খোঁজাখুঁজি করে পাওয়া যায় না। অফিসার ইনচার্জ জানান অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Reporter Name 









