০১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ায় কানুনগো মাসউদ আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৮৫ Time View

এস এম নাসির উদ্দিন( বিচিত্র সংবাদ): মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে কর্মরত কাননগো মাসউদ আলম হাওলাদারের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিস কেইস পরিচালনায় ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার ২৭ আগস্ট দুপুরে মিস কেইস ৪৬৮/২৪-২৫ এর বাদী মিনারা বেগম ঘুষ দেয়ার বিষয়টি সংবাদ কর্মীদের অবগত করেন।অনুসন্ধান পর্যালোচনায় পাওয়া যায় বাউশিয়া ইউনিয়ন মধ্যবাউশিয়া মৌজায় আর এস খতিয়ান ৩০৫,আর এস দাগ ৪২০,৪২১ মোট ভূমি ৯৩ শতাংশ এর মধ্যে এক আনা রেকরডিও মালিক বাদী মিনারা বেগম।অভিযোগকারী মিনারা বেগম জানান ছোটবেলায় আমার বাবা-মা মারা যায়। বর্তমানে আমার স্বামীর একাধিক অপারেশনে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয় । ওয়ারিশ সূত্রে পাওনা বর্তমান আর এস রেকর্ডে তার নাম রয়েছে। মিস কেইস করতে গিয়ে ভূমি অফিসের একজন লোক আমাকে কানুনগো এর সাথে যোগাযোগ করতে এবং কথা বলতে বলেন। আমি প্রয়োজনীয় কাগজ দাখিল করে আমার পরিবারের অসহায়ের কথা অবগত করি।প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র দেখে কানুনগো মাসউদ আলম হাওলাদার বলেন আপনার অনেক টাকা লাগবে।টাকা দিলে আপনার কাজ করে দেয়া হবে। আপনাকে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে। অর্থ হীন পরিবারের অসহায় মিনারা বেগম কান্না কাটি শুরু করে। একপর্যায়ে ঋণ করে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে রাজী হয় মিনারাবেগমএকাধিক বারে ১০ হাজার টাকা দেয় ঘুষখোর কানণ গো মাসুদ আলম হাওলাদার কে। ঘুষের টাকা দেয়ার পর প্রতি হাজিরার দিন কানুনগো সাথে যোগাযোগ রাখি। রায় প্রদানের দিন ঘুষখোর কানুনগো আমাকে ভূমি সংলগ্ন অফিস গোল ঘরে বসিয়ে রাখে সারাদিন। অপরদিকে দুপুরের পর আমাকে গড়হাজির দেখিয়ে শুনানি শেষ করে কোম্পানির পক্ষে রায় দিতে সহায়তা করেছে কানুনগো। অভিযুক্ত কানুনগো মাসউদ আলম হাওলাদার সংবাদ কর্মীদের জানান আমি ওনার পক্ষে রিপোর্ট প্রদান করেছি। রিপোর্টে উল্লেখ্য করেছি উনার প্রাপ্য ভূমি বিক্রি করেন নাই। মিনারা বেগম থেকে কখনো টাকা চাই নাই এবং টাকা নেয়ার কথাটি সত্য না। মিস কেইসের রায় প্রাপ্ত জেএমআই কোম্পানিতে কর্মরত ভূমি সংক্রান্ত প্রকৌশলী হাসান জানান বিষয়টি আদালতের, আদালতেই আমরা জবাব দিয়ে থাকি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি আমরা হতে চাই না।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম জানান ঘুষ নেয়ার সত্যতা পাওয়া গেলে– অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গজারিয়ায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি নগদ টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট

গজারিয়ায় কানুনগো মাসউদ আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

Update Time : ১০:৪৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

এস এম নাসির উদ্দিন( বিচিত্র সংবাদ): মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে কর্মরত কাননগো মাসউদ আলম হাওলাদারের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিস কেইস পরিচালনায় ঘুষ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার ২৭ আগস্ট দুপুরে মিস কেইস ৪৬৮/২৪-২৫ এর বাদী মিনারা বেগম ঘুষ দেয়ার বিষয়টি সংবাদ কর্মীদের অবগত করেন।অনুসন্ধান পর্যালোচনায় পাওয়া যায় বাউশিয়া ইউনিয়ন মধ্যবাউশিয়া মৌজায় আর এস খতিয়ান ৩০৫,আর এস দাগ ৪২০,৪২১ মোট ভূমি ৯৩ শতাংশ এর মধ্যে এক আনা রেকরডিও মালিক বাদী মিনারা বেগম।অভিযোগকারী মিনারা বেগম জানান ছোটবেলায় আমার বাবা-মা মারা যায়। বর্তমানে আমার স্বামীর একাধিক অপারেশনে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয় । ওয়ারিশ সূত্রে পাওনা বর্তমান আর এস রেকর্ডে তার নাম রয়েছে। মিস কেইস করতে গিয়ে ভূমি অফিসের একজন লোক আমাকে কানুনগো এর সাথে যোগাযোগ করতে এবং কথা বলতে বলেন। আমি প্রয়োজনীয় কাগজ দাখিল করে আমার পরিবারের অসহায়ের কথা অবগত করি।প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র দেখে কানুনগো মাসউদ আলম হাওলাদার বলেন আপনার অনেক টাকা লাগবে।টাকা দিলে আপনার কাজ করে দেয়া হবে। আপনাকে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে। অর্থ হীন পরিবারের অসহায় মিনারা বেগম কান্না কাটি শুরু করে। একপর্যায়ে ঋণ করে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে রাজী হয় মিনারাবেগমএকাধিক বারে ১০ হাজার টাকা দেয় ঘুষখোর কানণ গো মাসুদ আলম হাওলাদার কে। ঘুষের টাকা দেয়ার পর প্রতি হাজিরার দিন কানুনগো সাথে যোগাযোগ রাখি। রায় প্রদানের দিন ঘুষখোর কানুনগো আমাকে ভূমি সংলগ্ন অফিস গোল ঘরে বসিয়ে রাখে সারাদিন। অপরদিকে দুপুরের পর আমাকে গড়হাজির দেখিয়ে শুনানি শেষ করে কোম্পানির পক্ষে রায় দিতে সহায়তা করেছে কানুনগো। অভিযুক্ত কানুনগো মাসউদ আলম হাওলাদার সংবাদ কর্মীদের জানান আমি ওনার পক্ষে রিপোর্ট প্রদান করেছি। রিপোর্টে উল্লেখ্য করেছি উনার প্রাপ্য ভূমি বিক্রি করেন নাই। মিনারা বেগম থেকে কখনো টাকা চাই নাই এবং টাকা নেয়ার কথাটি সত্য না। মিস কেইসের রায় প্রাপ্ত জেএমআই কোম্পানিতে কর্মরত ভূমি সংক্রান্ত প্রকৌশলী হাসান জানান বিষয়টি আদালতের, আদালতেই আমরা জবাব দিয়ে থাকি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি আমরা হতে চাই না।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম জানান ঘুষ নেয়ার সত্যতা পাওয়া গেলে– অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।