০২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ায় হত্যাকাণ্ডের আসামিদের বাড়িতে আগুন: ৬-৭টি ঘর পুড়ে গেলো

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ১০৩ Time View

এস এম নাসির উদ্দিন( বিচিত্র সংবাদ) ঃগত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় ইমামপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি গ্রামে ঘটে এক চাঞ্চল্যকর অগ্নিসংযোগের ঘটনা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই কালীপুরা নদী এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হন সন্ত্রাসী স্যুটার মান্নান, আর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত হৃদয় বাঘ শনিবার বিকালে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে মারা যান।ঘটনার পর, রোববার বিকালে হৃদয় বাঘের দাফন সম্পন্ন হলে, হত্যা মামলার অন্যতম আসামি লালু এবং তার আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। এতে ৬-৭টি ঘর পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জানান, অগ্নিসংযোগে ৮টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এর মধ্যে ৫টি একেবারে পুড়ে গেছে এবং বাকি ৩টি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং নিহত হৃদয় বাঘের আত্মীয় আমিরুল ইসলাম মেম্বার বলেন, “লালু একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং তার অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। তিনি মামলা থেকে বাঁচতে এই ধরনের ঘটনার আশ্রয় নিতে পারেন।”এদিকে, লালুর মা সানোয়ারা বেগম জানান, “মেম্বরের লোকজন আগুন লাগিয়ে ৮টি ঘর পুড়িয়েছে, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসার আগেই সব ঘর পুড়ে গেছে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গজারিয়ায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি নগদ টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট

গজারিয়ায় হত্যাকাণ্ডের আসামিদের বাড়িতে আগুন: ৬-৭টি ঘর পুড়ে গেলো

Update Time : ০২:৩৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

এস এম নাসির উদ্দিন( বিচিত্র সংবাদ) ঃগত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় ইমামপুর ইউনিয়নের হোগলাকান্দি গ্রামে ঘটে এক চাঞ্চল্যকর অগ্নিসংযোগের ঘটনা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই কালীপুরা নদী এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হন সন্ত্রাসী স্যুটার মান্নান, আর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত হৃদয় বাঘ শনিবার বিকালে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে মারা যান।ঘটনার পর, রোববার বিকালে হৃদয় বাঘের দাফন সম্পন্ন হলে, হত্যা মামলার অন্যতম আসামি লালু এবং তার আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। এতে ৬-৭টি ঘর পুড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জানান, অগ্নিসংযোগে ৮টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এর মধ্যে ৫টি একেবারে পুড়ে গেছে এবং বাকি ৩টি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং নিহত হৃদয় বাঘের আত্মীয় আমিরুল ইসলাম মেম্বার বলেন, “লালু একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং তার অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। তিনি মামলা থেকে বাঁচতে এই ধরনের ঘটনার আশ্রয় নিতে পারেন।”এদিকে, লালুর মা সানোয়ারা বেগম জানান, “মেম্বরের লোকজন আগুন লাগিয়ে ৮টি ঘর পুড়িয়েছে, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসার আগেই সব ঘর পুড়ে গেছে।”