
নিজস্ব সংবাদদাতা (বিচিত্র সংবাদ):
গজারিয়া উপজেলা থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। কিন্তু, ১৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে গজারিয়া কলিম উল্লাহ্ অর্নাস কলেজে আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ওই ১৩ জন কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়নি। অনুষ্ঠানে মোট ৭৯ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা দেয়া হলেও গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের এই ১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, এমনকি তাদের স্কুলের কোনো প্রতিনিধিকেও দাওয়াত দেয়া হয়নি।স্থানীয়রা এবং অভিভাবকরা এই ঘটনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে, গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা এমন কৃতিত্ব অর্জন করেও অবহেলিত হয়েছেন। তারা আরো জানান, “গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা কৃতিত্ব অর্জন করে গর্বিত হওয়ার যোগ্য, তাদের সম্মাননা জানানো উচিত ছিল বলেমনে করেন অভিভাবক মহল।এ বিষয়ে গজারিয়া কলিম উল্লাহ্ কলেজের অধ্যক্ষ খালেদা নাহার জানিয়েছেন, “এটি আমার মিসটেক ছিল”। তিনি আরো বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি আমি দেখছি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল না করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। “বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন মুন্সিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক এস এম নাসির উদ্দিন বলেন”এটি একটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা যেখানে শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম এবং সফলতা অগ্রাহ্য করা হয়েছে। এটি শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক ভুল নয়, বরং একটি মানবাধিকার লঙ্ঘনও হতে পারে, যেখানে শিক্ষার্থীদের প্রতি সম্মান এবং সমান অধিকার প্রদানে অবহেলা করা হয়েছে। আমাদের সমাজে শিক্ষা এবং সাফল্য অর্জন করা সব শিক্ষার্থীর মৌলিক অধিকার, এবং তাদের সেই কৃতিত্বের জন্য সম্মানিত হওয়া উচিত।এ ধরনের অবহেলা শিক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে দিতে পারে এবং তাদের আত্মবিশ্বাসের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সমাজে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের দায়িত্ব পালন না করে, তবে তা সমাজের সামগ্রিক উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।আমরা আশা করি, গজারিয়া কলিম উল্লাহ্ অর্নাস কলেজের কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি সঠিকভাবে সমাধান করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মানবাধিকার সবার জন্য সবখানে সমানভাবে।
Reporter Name 








