
নিজস্ব সংবাদদাতা :মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত প্রায় সাড়ে তিনটার দিকে গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুর ও বালুয়াকান্দি গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।আহতদের মধ্যে সাতজনের নাম জানা গেছে— নুরজাহান (৭০), রিনা (৪০), মনিকা (৩০), শিউলি (৩৫), কামরুন নাহার (৪০), পিংকি (৩১) ও ছফিরুন (৫৬)। তারা সবাই নয়ন-পিয়াসপক্ষের সমর্থক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।আহত নুরজাহান বেগম জানান, “রাত সাড়ে তিনটার দিকে ২০–২৫ জন সন্ত্রাসী আমাদের উঠোনে এসে হৈচৈ শুরু করে। কিছুক্ষণ পর তারা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। চারটি ঘরসহ প্রায় আটটি বসতঘরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।”আহত রিনা বেগম বলেন, “হামলাকারীদের মধ্যে কুদ্দুস, সাব্বির রাঢ়ী ও জিহাদ রাঢ়ীকে চিনতে পেরেছি। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাকে আঘাত করতে গেলে কপালে লাগে। আমাদের ঘরবাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে।”গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাফিস আহমেদ জানান, “ঘটনার পর তিনজন আহত রোগী হাসপাতালে আসে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি রাখা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রিনা বেগমের কপালে ও নুরজাহান বেগমের হাত ও পায়ে আঘাত রয়েছে।”অপরদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের প্রতিনিধি জিয়াউল জিতু রাঢ়ী বলেন, “ঘটনার সময় আমি এলাকায় ছিলাম না। আমার কোনো সমর্থক এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। নৌ ডাকাত নয়ন-পিয়াস পালিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন ক্ষোভে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এখন তারা এলাকায় ফিরতে নাটক সাজিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করার চেষ্টা করছে।”এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে রাতের এই হামলার ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়েরের খবর পাওয়া যায়নি।
Reporter Name 











