
বিশেষ সম্পাদকীয় প্রতিবেদন(এস এম নাসির উদ্দিন) //বর্তমানে দেশে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও অপরাধ প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা এবং বালু-দস্যুদের দৌরাত্ম্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম চাপে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।এই প্রেক্ষাপটে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা আরও কার্যকর ও সক্রিয় করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন,"অপরাধ সংগঠিত হওয়ার আগেই অপরাধীদের চিহ্নিত করে তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করাই গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রধান কাজ।”তিনি ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিএসবি, র্যাব, পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে একটি বড় পরিসরের শুদ্ধি অভিযান চালানোর তাগিদ দেন। তাঁর মতে, দেশব্যাপী চিরুনি অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের ধরপাকড়ের মাধ্যমে সমাজে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।জনগণের সচেতনতা এবং সহযোগিতা ছাড়া এ অভিযান সফল হবে না। পাড়া-মহল্লা ও গ্রামে ছড়িয়ে থাকা তথাকথিত রাজনৈতিক নেতাদের গুন্ডা বাহিনী ও কিশোর গ্যাং চিহ্নিত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।আমরা আর কোনো মায়ের বুক খালি হতে দিতে চাই না। তাই গোটা জাতিকে একযোগে এই অপরাধ প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে।