
এস এম নাসির উদ্দিন (বিচিত্র সংবাদ) //আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হতে পারেন রহিমা শিকদার। মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির এই নেত্রী দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
রহিমা শিকদার তাঁর রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রদল, মহিলা দল এবং বিএনপির বিভিন্ন শাখায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সহ-সভাপতি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
বর্তমানে, বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতারা সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা প্রণয়ন করতে চলছে । এমন পরিস্থিতিতে, রহিমা শিকদারের নামও আলোচনায় রয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দলের প্রতি তার অবিচল আনুগত্য এবং দীর্ঘদিনের সক্রিয়তার কারণে দলের মনোনয়ন পেতে পারেন।
রহিমা শিকদার যদি ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হন, তবে এটি মুন্সীগঞ্জ জেলার রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হবে। তিনি দলের প্রতি তার অবিচল আনুগত্য এবং দীর্ঘদিনের সক্রিয়তার কারণে দলের মনোনয়ন পেতে পারেন। তবে, মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পরই তার প্রার্থীতা নিশ্চিত হবে। পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচিতি:
রহিমা শিকদারের পরিবারের সদস্যরাও রাজনীতিতে সক্রিয়। তার বড় ভাই মরহুম শাহজাহান সিকদার ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। তার ছেলে মোহাম্মদ আল রাফিউ আহমেদ রামপুরা থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। ছোট ভাই বাদশা শিকদার সাবেক কাউন্সিলর এবং ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। এই পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য রহিমা শিকদারের রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও সুদৃঢ় করে।
উল্লেখযোগ্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবদান:রহিমা শিকদার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি সাবেক সংগঠন সচিব, জাতীয় মহিলা সংস্থার সদস্য, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য এবং লেডিস ক্লাবের সদস্য। এছাড়া, তিনি ঢাকা বিভাগীয় ভলিবল খেলায় চ্যাম্পিয়নও হয়েছেন।
রহিমা শিকদারের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক অবদান তাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হওয়ার জন্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হলে, তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার জনগণের জন্য একটি শক্তিশালী প্রতিনিধি হতে পারেন।